সোনালী কথা
সোনালী জীবনের না বলা কিছু কথা

Mar
22

Sometimes the realities of life is stranger,more mysterious and more confusing than fiction.In fiction there is a possibility to find out the solutions of all problems ,to get answers of all questions,but in real life some questions remains unanswered forever and ever.

Mar
21

ঘুমোও তুমি, আমার দেখা
পেয়ে যাক পূর্ণতা; ক্লান্ত দেহে
ক্লান্তি মেখে এলোমেলো ঘুম
ঘুমোও তুমি। আমার চোখে
পড়ুক ধরা আবেশীতা। তোমার
অচেষ্টিত সৌন্দর্য দেখতে
থাকি; দেখার সময় লিখতে
থাকি; কবিতাতে আঁকতে থাকি।
তোমায় ভালোবাসতে থাকি;
ঘুমোও তুমি।

পরশ তোমার হাতের!
শাদা হাতে আমার হাত।
খানিকটা উষ্ণতার মিশেলে
ঠাণ্ডা অনুভূতি!
তুমি জানছোনা, কখনো
বুঝতেও পারবেনা, কিংবা
বুঝলেও বলবেনা।
বরং এটাই ভালো; নিরবতাই
উত্তর নিয়ে আসে। শান্ত
এ কণ্ঠ তাই নিঃশব্দে জানায়-
তোমায় ভালোবাসি প্রিয়তমা।

তোমার শুকনো পায়ে,
ভেজা বকুল ঝরে।
ফুল ঝরতে থাকুক,
আমিই বকুল; পড়ুক তাই ঝরে।

আমার কোনো গ্লানি নাই।
তোমার অধর রক্তিম তাই,
বারবার তা ছুঁতে চাই
আমার অধরে; কিংবা অধর ছাড়াই।

শাওয়ারের ধারায় চকচকে জলস্রোতে;
নিচে থাকা আমার মাঝে মিলেমিশে একাকার সব।
চারদিকে বদ্ধতা; তাই তুমি কিংবা জলের ধারা
বড্ড গাঢ় আলিঙ্গনে জড়ায় আমায়!

Mar
21

তোমাকে না বলা কথাগুলো
লুকিয়ে রেখেছি বুকের গহীনে,
মনের দরজায় তালা দিয়েছি
হৃদয়টাকে করেছি অন্ধকার।

ভারী পর্দার ফাঁক দিয়ে
আসে না আলো এতটুকু,
কেউ জানে না
কত ভালোবাসা বন্দী আছে
এই বুকের বদ্ধ কুঠুরীতে।

আমি কালবোশেখীর ঝড় নই
আছড়ে পরতে পারি নি তোমার বাহুডোরে
বলতে পারি নি,
কতটা ভালবাসি তোমায়।
বসন্তের শীতলা বাতাস নই
স্পর্শ করতে পারি নি তোমার হৃদয়
বলতে পারি নি,
মনের কথা কুহু সুরে।

তোমাকে কেবল গোপনে ভালবাসতে জানি
পরোয়া করি না ভাগ্যের লিখনে
ছোট ছোট পায়ে অগ্রসর হয়েছি
তৃষ্ণার্ত মরুভুমির মত,
তোমারই …

Mar
21

মানবাধিকার প্রতি‍‍‍‍‍‌ষ্টায় মহানবী সাঃ

সারা পৃথিবী যখন জাহিলী আঁধারে আচ্ছন্ন, পাশবিকতার কাতর আর্তনাদে বাতাস বিষাক্ত হয়ে উঠেছিল, যখন ছিলনা কোথাও আলোর লেশ মাত্র। তখন মহানবী (সাঃ) এর আগমন ছিল বিশ্বমানবতার জন্য একটি বিশেষ করূনা। তাঁর আগমনে অধিকার হারা মানুষগুলো পেয়ে গেল অধিকারের নিশ্চয়তা পেল সঠিক পথের দিশা। মহানবী (সাঃ) শুধুমাত্র মানুষেরই অধিকার প্রতিষ্টা করেননি, বরং পশু পাখির, এমনকি কীট পতঙ্গের অধিকারও প্রতিষ্টা করেছেন। তাঁর যুগান্তকারী সংবিধানের মাধ্যমে পৃথিবীর সকল মানুষের সব ধরনের অধিকার সুপ্রতিষ্টিত হয়েছে। এর কিছু বিবরণ তুলে ধরা হল।

মানুষের মৌলিক অধিকার: মহানবী (সাঃ)-এর মদীনাভিত্তিক কল্যান ইসলামী রাষ্টের দ্বারা মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার তথা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্হান, শিক্ষা প্রভৃতি পূর্ন ভাবে লাভ করেছে। দেশের সকল বিধবা ও ইয়াতীম সহ সকল অসহায় মানুষের সার্বিক বন্দোবস্ত ইসলমী রাষ্ট্রের মাধ্যমে সম্পাদন করা হয়েছে।মহানবী (সাঃ)-এর আবির্ভাবের পূর্বে মানুষর জীবনের কোন নিরাপত্তা ছিলনা। মারামারি, হানাহানি ছিল তাদে দৈনন্দিন ব্যাপার। মানুষের জীবনের নিরাপত্তায় রাসূল (সাঃ) পবিত্র কোরআনের বিধিন কায়েম করেন। মহান আল্লাহ বলেন- “তোমরা সে প্রানকে হত্যা করোনা, আল্লাহ যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন।” (সূরাহ বণী ইসরাঈল, আয়াত:৩৩)
ব্যাক্তি স্বাধীনতা: মহানবী (সাঃ) ঘোষনা দিলেন-সাদা-কালো, ধনী-গরীব, মালিক-গোলাম, শাসক ও শাসিত নির্বিশেষে সব মানুষই এক আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে সমান অধিকার স্বাধীনতা ভোগ করবে।। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেন- এমনকি তিনি বিধর্মীদেরও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে দেন“ধর্মে কোন জোর জবরদস্তি নেই”। (সূরাহ বাকারাহ,আয়াত:২৫৬)

সম্পদের নিরাপত্তা: মহানবী (সাঃ)মানুষের জানের নিরাপত্তা প্রদানের সাথে সাথে ধন-সম্পদেরও নিরাপত্তা প্রদান করেছেন. আল্লাহ পাক বলেন। “তোমরা অন্যায় ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ করোনা।” (সূরাহ বাকারা,আয়াত:১৮৮)

ইজ্জত-আবরুর নিরাপত্তা: যিনা, শ্লিলতাহানি ও ধর্ষনের মাধ্যমে মানুষের ইজ্জত-আবরু নষ্ট হয়। এ যিনা-ব্যভিচারের সকল ছিদ্রপথ ইসলাম বন্দ করে দিয়েছে প্রথমত পর্দা বিধান এবং সেই সাথে দন্ডবিধান প্রদানের মাধ্যমে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন- “ব্যভিচারিনী নারী ওব্যভিচারী পুরুষ প্রত্যেককে একশ করে বেত্রাঘাত কর।” (সূরাহ নূর,আয়াত:২)এমনকি গীবতের মাধ্যমেও মানুষের সম্মান নষ্ট হয় তাই গীবতকে হারাম করে রাসূল (সাঃ) বলেন “গীবত যিনার চাইতেও মারাত্নক গুনাহ।”

ন্যায় বিচারের অধিকার: হযরত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সমজের সর্বস্তরের মানুষের জন্য ন্যায় বিচারের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। কোরআন পাকে ইরশাদ হয়েছে-“তোমরা যখন বিচার কর, তখন ন্যায় সঙ্গতভাবে বিচার কর।”(সূরাহ নিসা,আয়াত:৫৮)

ন্যায় বিচারের এক রায় উপস্হাপন করে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন- “সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ,যদি মুহাম্মদের মেয়ে ফাতিমা (রাঃ)ও চুরি করত তাহলেও আমি তার হাত কেটে দিতাম”।

Mar
21

অনলাইনে বসে আয় করা যায় এই কথাটি অনেকে গুজব মনে করেন। অনেকে ভাবেন ধোঁকাবাজী… তাদের দোষ নেই আসলে.. অর্থ উপার্জন নিয়ে এত পরিমান দুইনাম্বারী হয় অনলাইনে যে এই বিষয়ে পজিটিভ মনোভাব বজায় রাখা সত্যিই কঠিন। তবে Google AdSense এর বিষয়ে তেমন কোন দুইনাম্বারির খোঁজ পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। তাছাড়া আমি নিজেই গুগল থেকে অনেকবার টাকা তুলেছি… সত্যিকারের টাকা!

গুগল মূলত ওয়েষ্ট্রান ইউনিয়ন, ব্যাংক একাউন্ট বা চেকে পেমেন্ট করে থাকে। বাংলাদেশী ব্যবহাকারী হিসেবে আপনি চেকের মাধ্যমে সহজেই টাকু তুলতে পারেন। অনেকে হয়তো ভাবছেন চেক কিভাবে আসবে বা এধরনের কিছু। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কিছু নেই… বাংলাদেশের মত দুর্গম (আইটি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে) অঞ্চলে বসেও চেক পেয়ে যাচ্ছে অনেকে।

ভাবছেন আপনার ওয়েব সাইট নেই, কম্পিউটার সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না.. তো কিভাবে সম্ভব? অসম্ভব নয় একেবারেই। একটু কষ্ট করলে আপনিও পেতে পারেন গুগলের চেক.. বাসায় বসেই। কিছু না হোক, অন্তত যদি নেটের বিল ও ব্যক্তিগত খরচটুকু চলে আসে, তাতেই বা কম কিসে?

সুতরাং প্রস্তুত হোন… গুগল এডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জনের জন্য।

Google AdSense থেকে উপার্জনের কিছু থিউরিটিক্যাল ও প্রাকটিক্যাল আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। তার আগে আলোচনার একটি শ্রেণীবিভাগ করে নেই।

আমরা মূলত পাঁচটি ভাগে আলোচনাটা করবো যাতে নির্দিষ্ট কোন টপিকে আলাদা আলাদা প্রশ্ন করা যায়।

১) AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
২) AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)
৩) AdSense এর জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া ও কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়
৪) এডস প্রতিস্থাপন ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি
৫) গুগল থেকে টাকা নিজের পকেটে আনার প্রক্রিয়া
এই সবগুলো ধাপের সাথেই থাকছে কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস এবং করণীয় ও বর্জনীয়। সেই সাথে প্রশ্ন ও উত্তর পর্বে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করা হবে।

তাহলে শুরু করা যাক-

AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
AdSense মূলত একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যারা আপনার আমার জন্য বিভিন্ন কোম্পানী/ওয়েব থেকে বিজ্ঞাপন এনে দেয় এবং আপনার রেভিন্যু প্রাপ্তি নিশ্চিত করে। গুগলের আরেকটি সার্ভিস রয়েছে যেখানে যেকেউ তার কোম্পানী বা ওয়েবের বিজ্ঞাপন দিতে পারে। সেখান থেকে প্রাপ্ত বিজ্ঞাপনগুলো AdSense এর কোডের মাধ্যমে মাধ্যমে আপনার সাইটে রেন্ডমলি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সাধারনত প্রতিটি এডস প্রদর্শন, ক্লিক, ফ্রি সাইনআপ, বিক্রিয়, সেবাগ্রহন ইত্যাদির বিনিময়ে কোম্পানীগুলো গুগলকে টাকা দিয়ে থাকে। এই কাজটা যখন আপনার ওয়েব বা ব্লগের মাধ্যমে হয়ে থাকে তখন আপনাকে সেই টাকার একটা অংশ আপনাকে দেয় গুগল। পুরো প্রক্রিয়াটা খুবই সুক্ষ ও স্মার্টলি সম্পন্ন হয়.. সুতরাং নিশ্চিন্তে গুগলের উপরে ভরসা করতে পারেন।

AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)

গুগল এডসেন্স মূলত আপনাকে একটি বিজ্ঞাপন কোড দিবে আপনাকে ওয়েবের কোথাও রাখতে হবে যাতে লোকজন সেটি দেখতে পায়। সেজন্য আপনি আপনার ব্যক্তিগত সাইট বা ফ্রি ব্লগ সার্ভিসের সাহায্য নিতে পারেন।

ব্যক্তিগত সাইটের জন্য:
একটি ডোমেইন ও কিছু স্পেস কিনে আপনি শুরু করে দিতে পারেন আপনার ব্যক্তিগত সাইটের কার্যক্রম। একাজটির জন্য আপনার কিছু অর্থ খরচ হয়ে যাবে। তবে বিনামূল্যেও কাজটি করা যায়। এবিষয়ে কেউ আগ্রহী হলে পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

ফ্রি ব্লগ সাইটের জন্য:
পৃথিবীতে অনেকগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস পাবেন যেখানে আপনি গুগলের এডস রাখতে পারবেন। এরভেতরে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সার্ভিস হচ্ছে ব্লস্পট (blogspot)। আজকে আমরা ব্লগ স্পটে কিভাবে ব্লগ করতে হয় তা নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।

১) ব্লগ স্পটে ফ্রি ব্লগ করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি গুগল একাউন্টের মালিক হতে হবে। সেজন্য চলে যান http://gmail.com এ বা ক্লিক করুন এখানে

২) সাইনআপ কম্প্লিট হলে ওপেন করুন blogspot.com ( http://www.blogspot.com )। উপরে দেয়া ছবিটির মত একটি পেজ আসবে যেখানে আপনি আপনাকে গুগল আইডিটি দিয়ে লগইন করতে হবে।

৩) ঠিক ঠাক মত লগইন করতে পারলে Sign up for Blogger পেজ আসবে এবং আপনাকে Display name দিতে বলবে। ডিসপ্লে নামটি মূলত ব্লগে আপনার নিক হবে। এটি যেকোন সময় পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং যেকোন একটি দিয়ে ফেলতে পারেন। নাম দেয়া হলে Terms of Service পড়ে যদি মানতে রাজী হন তাহলে Acceptance of Terms এর চেকবক্সে ক্লিক করে Continue করুন। (বেশীর ভাগ মানুষই Terms of Service পড়তে বিরক্তবোধ করেন। কিন্তু একটি সাইটের কোন সার্ভিস গ্রহন করার আগে এটি পড়ে নেয়া জরুরী)।

৪) এবার ব্লগস্পট আপনাকে Dashboard পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনি Create your blog now এ ক্লিক করে ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। তাহলে ক্লিক করুন Create your blog now লিংকে।

৫) ব্লগস্পট আপনাকে এবার Name your blog পেজে নিয়ে আসবে যেখানে আপনি আপনার Blog title ও Blog address (URL) ঠিক করবেন। একটি বিষয় মাথায় রাখুন যে গুগল বা ইয়াহুর মত ব্লগস্পটেও বেশীর ভাগ নাম দখল হয়ে গিয়েছে। সুতরাং Blog address (URL) এ কোন নাম দেয়ার পর Check Availability এ ক্লিক করে দেখে নিন।

৬) ব্লগস্পট এবার আপনাকে Choose a template পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনার রুচিমত একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে Continue করতে পারেন। Template যেকোন সময়ই পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এটি নিয়ে খুব বেশী না ভেবে আপাতত একটি নিয়ে ফেলুন।

৭) সবঠিক ঠাক মত সম্পন্ন হলে Your blog has been created! ম্যাসেজ পাবেন আরেকটি পেজে। Start posting এ ক্লিক করে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন।

লক্ষ করুন- ৫ নং ধাপে আপনি যে Blog address (URL) দিয়েছিলেন, সেটি আপনার ব্লগ লিংক। যেমন আমার ব্লগস্পট লিংক হলো http://sonali-kotha.blogspot.com । আগামী পর্বে এডসেন্সে সাইনআপ করতে এটি কাজে লাগবে।

মুল লিখাটি লিখেছেন ত্রিভুজ

Mar
20

Google AdSense থেকে উপার্জনের কিছু থিউরিটিক্যাল ও প্রাকটিক্যাল আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। তার আগে আলোচনার একটি শ্রেণীবিভাগ করে নেই।

আমরা মূলত পাঁচটি ভাগে আলোচনাটা করবো যাতে নির্দিষ্ট কোন টপিকে আলাদা আলাদা প্রশ্ন করা যায়।

১) AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
২) AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)
৩) AdSense এর জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া ও কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়
৪) এডস প্রতিস্থাপন ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি
৫) গুগল থেকে টাকা নিজের পকেটে আনার প্রক্রিয়া
এই সবগুলো ধাপের সাথেই থাকছে কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস এবং করণীয় ও বর্জনীয়। সেই সাথে প্রশ্ন ও উত্তর পর্বে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করা হবে।

তাহলে শুরু করা যাক-

AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
AdSense মূলত একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যারা আপনার আমার জন্য বিভিন্ন কোম্পানী/ওয়েব থেকে বিজ্ঞাপন এনে দেয় এবং আপনার রেভিন্যু প্রাপ্তি নিশ্চিত করে। গুগলের আরেকটি সার্ভিস রয়েছে যেখানে যেকেউ তার কোম্পানী বা ওয়েবের বিজ্ঞাপন দিতে পারে। সেখান থেকে প্রাপ্ত বিজ্ঞাপনগুলো AdSense এর কোডের মাধ্যমে মাধ্যমে আপনার সাইটে রেন্ডমলি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সাধারনত প্রতিটি এডস প্রদর্শন, ক্লিক, ফ্রি সাইনআপ, বিক্রিয়, সেবাগ্রহন ইত্যাদির বিনিময়ে কোম্পানীগুলো গুগলকে টাকা দিয়ে থাকে। এই কাজটা যখন আপনার ওয়েব বা ব্লগের মাধ্যমে হয়ে থাকে তখন আপনাকে সেই টাকার একটা অংশ আপনাকে দেয় গুগল। পুরো প্রক্রিয়াটা খুবই সুক্ষ ও স্মার্টলি সম্পন্ন হয়.. সুতরাং নিশ্চিন্তে গুগলের উপরে ভরসা করতে পারেন।

AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)

গুগল এডসেন্স মূলত আপনাকে একটি বিজ্ঞাপন কোড দিবে আপনাকে ওয়েবের কোথাও রাখতে হবে যাতে লোকজন সেটি দেখতে পায়। সেজন্য আপনি আপনার ব্যক্তিগত সাইট বা ফ্রি ব্লগ সার্ভিসের সাহায্য নিতে পারেন।

ব্যক্তিগত সাইটের জন্য:
একটি ডোমেইন ও কিছু স্পেস কিনে আপনি শুরু করে দিতে পারেন আপনার ব্যক্তিগত সাইটের কার্যক্রম। একাজটির জন্য আপনার কিছু অর্থ খরচ হয়ে যাবে। তবে বিনামূল্যেও কাজটি করা যায়। এবিষয়ে কেউ আগ্রহী হলে পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

ফ্রি ব্লগ সাইটের জন্য:
পৃথিবীতে অনেকগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস পাবেন যেখানে আপনি গুগলের এডস রাখতে পারবেন। এরভেতরে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সার্ভিস হচ্ছে ব্লস্পট (blogspot)। আজকে আমরা ব্লগ স্পটে কিভাবে ব্লগ করতে হয় তা নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।

১) ব্লগ স্পটে ফ্রি ব্লগ করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি গুগল একাউন্টের মালিক হতে হবে। সেজন্য চলে যান http://gmail.com এ বা ক্লিক করুন এখানে ।

২) সাইনআপ কম্প্লিট হলে ওপেন করুন blogspot.com ( http://www.blogspot.com )। উপরে দেয়া ছবিটির মত একটি পেজ আসবে যেখানে আপনি আপনাকে গুগল আইডিটি দিয়ে লগইন করতে হবে।

৩) ঠিক ঠাক মত লগইন করতে পারলে Sign up for Blogger পেজ আসবে এবং আপনাকে Display name দিতে বলবে। ডিসপ্লে নামটি মূলত ব্লগে আপনার নিক হবে। এটি যেকোন সময় পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং যেকোন একটি দিয়ে ফেলতে পারেন। নাম দেয়া হলে Terms of Service পড়ে যদি মানতে রাজী হন তাহলে Acceptance of Terms এর চেকবক্সে ক্লিক করে Continue করুন। (বেশীর ভাগ মানুষই Terms of Service পড়তে বিরক্তবোধ করেন। কিন্তু একটি সাইটের কোন সার্ভিস গ্রহন করার আগে এটি পড়ে নেয়া জরুরী)।

৪) এবার ব্লগস্পট আপনাকে Dashboard পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনি Create your blog now এ ক্লিক করে ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। তাহলে ক্লিক করুন Create your blog now লিংকে।

৫) ব্লগস্পট আপনাকে এবার Name your blog পেজে নিয়ে আসবে যেখানে আপনি আপনার Blog title ও Blog address (URL) ঠিক করবেন। একটি বিষয় মাথায় রাখুন যে গুগল বা ইয়াহুর মত ব্লগস্পটেও বেশীর ভাগ নাম দখল হয়ে গিয়েছে। সুতরাং Blog address (URL) এ কোন নাম দেয়ার পর Check Availability এ ক্লিক করে দেখে নিন।

৬) ব্লগস্পট এবার আপনাকে Choose a template পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনার রুচিমত একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে Continue করতে পারেন। Template যেকোন সময়ই পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এটি নিয়ে খুব বেশী না ভেবে আপাতত একটি নিয়ে ফেলুন।

৭) সবঠিক ঠাক মত সম্পন্ন হলে Your blog has been created! ম্যাসেজ পাবেন আরেকটি পেজে। Start posting এ ক্লিক করে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন।

লক্ষ করুন- ৫ নং ধাপে আপনি যে Blog address (URL) দিয়েছিলেন, সেটি আপনার ব্লগ লিংক।

Mar
20

অনলাইনে বসে আয় করা যায় এই কথাটি অনেকে গুজব মনে করেন। অনেকে ভাবেন ধোঁকাবাজী… তাদের দোষ নেই আসলে.. অর্থ উপার্জন নিয়ে এত পরিমান দুইনাম্বারী হয় অনলাইনে যে এই বিষয়ে পজিটিভ মনোভাব বজায় রাখা সত্যিই কঠিন। তবে Google AdSense এর বিষয়ে তেমন কোন দুইনাম্বারির খোঁজ পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। তাছাড়া আমি নিজেই গুগল থেকে অনেকবার টাকা তুলেছি… সত্যিকারের টাকা!

গুগল মূলত ওয়েষ্ট্রান ইউনিয়ন, ব্যাংক একাউন্ট বা চেকে পেমেন্ট করে থাকে। বাংলাদেশী ব্যবহাকারী হিসেবে আপনি চেকের মাধ্যমে সহজেই টাকু তুলতে পারেন। অনেকে হয়তো ভাবছেন চেক কিভাবে আসবে বা এধরনের কিছু। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কিছু নেই… বাংলাদেশের মত দুর্গম (আইটি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে) অঞ্চলে বসেও চেক পেয়ে যাচ্ছে অনেকে।

ভাবছেন আপনার ওয়েব সাইট নেই, কম্পিউটার সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না.. তো কিভাবে সম্ভব? অসম্ভব নয় একেবারেই। একটু কষ্ট করলে আপনিও পেতে পারেন গুগলের চেক.. বাসায় বসেই। কিছু না হোক, অন্তত যদি নেটের বিল ও ব্যক্তিগত খরচটুকু চলে আসে, তাতেই বা কম কিসে?

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.